প্রকাশিত:
২০ নভেম্বর, ২০২৫

বুধবার (১৯ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি (ডিএসসিএ) একথা জানিয়েছে বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
নয়া দিল্লি রাশিয়ার তেল কেনায় শাস্তি হিসেবে অগাস্টে ভারতের আমদানি পণ্যে শুল্ক দিগুণ করে ৫০ শতাংশ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এই নিয়ে ওয়াশিংটন-নয়া দিল্লি সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। তারপর থেকে ওয়াশিংটনের ফরেন মিলিটারি সেলস কর্মসূচীর অধীনে ভারত প্রথমবারের মতো মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় করছে।
চলতি মাসে ভারত তাদের নিজেদের তৈরি যুদ্ধবিমান তেজসকে আরও শক্তিশালী করতে মার্কিন কোম্পানি জেনারেল ইলেকট্রিকের তৈরি যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন কিনতে পুনঃক্রয়াদেশ দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে ডিএসসিএ বলেছে, “এই প্রস্তাবিত বিক্রয় যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের কৌশলগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা অংশীদারের নিরাপত্তার উন্নয়ন ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা লক্ষ্যকে সমর্থন যোগাবে। ভারত ইন্দো-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।”
ভারত সরকার ২১৬টি এক্সক্যালিবার ট্যাকটিক্যাল গোলা ও জ্যাভলিন সিস্টেমের ১০০টি ইউনিট বিক্রির জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বলে ডিএসসিএ জানিয়েছে।
ভারত ইতোমধ্যেই তাদের এম-৭৭৭ হাউইটজার কামানে এক্সক্যালিবার আর্টিলারি গোলা ব্যবহার করছে।
ডিএসসিএ জানিয়েছে, এই বিক্রয় চুক্তির ক্ষেত্রে এক্সক্যালিবার গোলা সরবরাহের প্রধান ঠিকাদার হবে আরটিএক্স কর্পোরেশন এবং জ্যাভলিন সিস্টেমের জন্য তাদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে লকহিড মার্টিনও থাকবে।